জামালপুরের ডিসির নারী কেলেঙ্কারী

খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না জামালপুরের ডিসিকে!

যৌন কেলেঙ্কারীতে ফেঁসে যাওয়া জামালপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মন্ত্রণালয়ে অফিস না করে একরকম আত্মগোপনেই চলে গেছেন তিনি। এমনকি তার স্বজনদের সঙ্গেও তার যোগাযোগ নেই বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, নিজ কার্যালয়ের নারী অফিস সহকারীর (সাধনা) সঙ্গে অবৈধ শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোরচনার পড়েন ডিসি কবীর। এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওএসডি) মর্যাদায় মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করে।

মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, গত সপ্তাহে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। তাকে যেহেতু কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি, তাই কাজ হচ্ছে নিয়মিত অফিস করা। মন্ত্রণালয়ের লাইব্রেরীতে রক্ষিত খাতায় তিনি নিয়মিত স্বাক্ষর করলেই হবে। কিন্তু তিনি তা করছেন না। ঢাকা এসে মন্ত্রণালয়ে রিপোর্ট করে তিনি আর অফিসে হাজিরা দেন নি।

তবে সূত্র জানায়, আহমেদ কবীরের সঙ্গে তদন্ত দলের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে।

সূত্রটি জানায়, ওএসডি কর্মকর্তারা কেনো অফিসে আসলেন না, তার কোন খোঁজ খবর নেওয়া হয় না। আর তিনি তো একটা বিশেষ কারণে ওএসডি হয়েছেন, তাই এনিয়ে আমরা বেশি খবর নিচ্ছি না।

অন্য একটি পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তাদের সঙ্গে আহমেদ কবীরের তেমন যোগাযোগ নেই। তিনি নিজের মতো করে আছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৫ আগস্ট বিকেলে ‘খন্দকার সোহেল আহমেদ’ নামের একটি পাবলিক ফিগার ফেসবুক পেজ থেকে জেলা পর্যায়ের সর্বোচ্চপদধারী এই সরকারি কর্মকর্তা তার অফিসেই একজন নারীর সঙ্গে অবৈধ মেলামেশার এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করা হয়।

এরপর মুহুর্তের মধ্যেই সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। ভাইরাল হওয়া ঐ ভিডিওতে ডিসি আহমেদ কবীরকে তার নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক করতে দেখা যায়। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড এবং ২৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের দুটি ভিডিওতেই জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরকে তার নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে বেশ অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা গেছে।

এদিকে শুক্রবার ভোররাত থেকে রহস্যজনক কারণে ওই আইডির ওয়াল থেকে ভিডিও লিংকটি সরিয়ে নেয়ায় সন্দেহ আরো দানা বেঁধে উঠেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fourteen − 10 =