পেয়ারা

‘সারাদেশের চাহিদা মেটায় ৩ জেলার পেয়ারা’

বাংলার আপেল খ্যাত পেয়ারা উৎপাদন হয় ঝালকাঠি, বরিশাল ও পিরোজপুর জেলার ৫৫টি গ্রামে। আর দেশীয় এ ফলটি সড়ক ও নৌপথে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।

দক্ষিণের জেলা ঝালকাঠি ও পিরোজপুর ৫ থেকে ৭ টাকা কেজির পেয়ারা ঢাকার খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকায়। তবে পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশ কাজ করছে বলে দাবি করেছে ঝালকাঠি জেলা পুলিশ।

বর্ষা মৌসুমে পেয়ারার বেচাকেনা জমে উঠেছে।

এখানকার ভিমরুলী, শতদাশকাঠিসহ বিভিন্ন গ্রামের গ্রামের ভাসমান হাটগুলো থেকে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ সারা দেশে সুমিষ্ট জাতের এ দেশি পেয়ারা সরবরাহ হচ্ছে। দূর-দূরান্ত থেকে পাইকাররা সড়ক ও নৌ-পথে এখান থেকে পেয়ারা কিনে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাইকারি বাজারগুলোতে বিক্রি করছেন। কিন্তু বরিশালের বানারীপাড়া, পিরোজপুরের আটঘর এবং ঝালকাঠির ভীমরুলীসহ পেয়ারা হাটের পাইকার ও ট্রাক চালকদের অভিযোগ, পেয়ারা পরিবহনে বরিশালের ভূরঘাটা থেকে পথে পথে চলে চাঁদাবাজি।

তবে জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা জানালেন, ঝালকাঠি জেলার সীমানায় পেয়ারাসহ অন্যান্য পণ্য পরিবহনে কঠোর ভাবে ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এ জেলায় কোনোভাবেই কেউ হয়রানি হয় না।

ঝালকাঠি সীমানায় পণ্য পরিবহনের ব্যাপারে পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অভিযোগ নেই। তবে অন্য জেলার সীমানায় কোনো অভিযোগ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জানাতে পরামর্শ দেন তিনি।

ঝালকাঠির পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন বলেন, ট্রাফিক পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে। ঝালকাঠি থেকে পেয়ার পরিবহনে কেউ কোনো সমস্যায় পড়বেন না।

বরিশাল বিভাগে মোট ৩ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে দেশি জাতের পেয়ারার চাষ হয়। এবারের মৌসুমে শ্রাবণ ও ভাদ্র এই দু’মাসে সাড়ে ৩৯ হাজার মেট্রিক টন পেয়ারার উৎপাদন হবে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

three × 1 =