করোনায় যদি মরে যাই মরেই গেলাম, ঘর থেকে না বের হলে না খেয়ে মরব! 2

করোনায় যদি মরে যাই মরেই গেলাম, ঘর থেকে না বের হলে না খেয়ে মরব!

দেশ লকডাউন হলেও শতবর্ষী রমিজ আলী ভিক্ষা করতে হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে সহায়তার জন্য হাত বাঁড়াচ্ছেন।

তিনি সরকারী কোন ভাতা এমনকি কোন দান অনুদানও পাননি।

পেটের তাগিদে তিনি আন ১ এপ্রিল হবিগঞ্জ পৌরসভার রোডস্থ ভিক্ষা করেন।

তিনি সরকারী কোন সুযোগ সুবিধা পান কি-না জিজ্ঞাস করলে তিনি জানান, আমি সরকারী কোন কিছু পাই নাই। আমার কোন সন্তানদি নেই।

যদি ভিক্ষা না করি, তা হলে না খেয়ে মরতে হবে।

তিনি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লুকড়া ইউনিয়নের উচাইল (বেকিটেকা) গ্রামের মৃত আমির উদ্দিনের পুত্র রমিজ আলী। বয়স (১০০)।

এদিকে একটু পরেই একই জায়গায় আসেন আরেকজন আশি বয়সের বৃদ্ধ।

তার রয়েছে তিন সন্তান।

সবাই বিয়ে করে সংসার পেতে আলাদাভাবে জীবন কাটাচ্ছে।

তিনি একই ইউনিয়নের আষেড়া গ্রামের মৃত নঈম উল্লার পুত্র মধু মিয়া (৭৮)।

তিনি বয়স্ক ভাতা তিন মাস পর-পর নয়শ টাকা পান।

এতে কি আর হয়।

এ ব্যতিত তিনি সরকারী আর কোন কিছু পাননি বলে জানান।

তাকে করোনা ভাইরাস এর কারণে সরকারীভাবে নিষেধ আছে ঘর থেকে বের না হতে অর্থাৎ (লকডাউন) আপনি জানেন কি -না জানতে চাইলে এসময় তিনি বলেন, ‘বাবারে আর কয়দিন বাঁচবো। করোনায় যদি মরে যাই, মরেই গেলাম। যদি ঘর থেকে না বের হলে না খেয়েই ঘরে পরে মরতে হবে’।

বর্তমানে সরকারীভাবে চাউল, ডালসহ অনেক কিছু সরকার দিচ্ছে আপনি পেয়েছেন কি -না জানতে চাইলে এ সময় কেঁদে বলেন, গত ৩/৪দিন পুর্বে আমার গ্রামের মেম্বার আশ্বাব আলী অনেককেই সরকারী চাউল দিয়েছেন, কিন্তু আমার ভাগ্যে সেই চাউল জুটেনি।

সরকারী কোন সাহায্যে পেলে আমরা আর ভিক্ষায় আসতাম না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

sixteen − 13 =