জাকির নায়েক

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাকির নায়েকের ওপর নিষেধাজ্ঞা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অন্যান্য মাধ্যমে বক্তব্য প্রচারে ধর্ম প্রচারক জাকির নায়েকের ওপর সাময়ীক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মালেশিয়া পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল দাটুক সেরি আব্দুল হামিদ।

তিনি বলেন, ‘জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এর ফলে সাম্প্রতিক ঘটনাটির পর জাকির নায়েক নতুন করে আর কোনো বক্তব্য প্রচার করতে পারবেন না, এতে আমরা তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য সময় পাবো।’ খবর মেলয়মেইলের।

এর আগে, ধর্ম প্রচারক জাকির নায়েকের প্রকাশ্যে বক্তৃতা দেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। দেশটির পুলিশ জানায়, ‘জাতিগত সম্প্রীতি রক্ষায়’ এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’

সম্প্রতি জাকির নায়েক মালয়েশিয়ার কোটা বারু শহরে এক বক্তৃতায় ভারতের মুসলমানদের সঙ্গে মালয়েশিয়ার হিন্দুদের অবস্থান তুলনা করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘ভারতে মুসলমানরদের তুলনায় মালয়েশিয়ায় হিন্দুরা ১০০ শতাংশের বেশি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে।’

জাকির আরও বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথীর মোহাম্মদের তুলনায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি বেশি আনুগত্য প্রকাশ করে মালয়েশিয়ার হিন্দুরা। মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী হিন্দুদের দেশের প্রতি আনুগত্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জাকির। এসব বক্তব্যের জেরে শুরু হয় বিতর্কের ঝড়।

তবে মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে নিজের করা মন্তব্যের পক্ষ নিয়ে ড. জাকির নায়েক বলেছেন, ‘যদিও আমি এরইমধ্যে আমার বক্তব্য পরিষ্কার করেছি। তবুও আমার কথায় আপনাদের যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে এর জন্য আমি ক্ষমা চাচ্ছি। এখানে বেশকিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমি কারও অনুভূতিতে আঘাত দিতে চাই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে আঘাত করাটা কখনোই আমার উদ্দেশ্য নয়। এটা ইসলামের মূল শিক্ষার সম্পূর্ণ পরিপন্থি। এই ভুল বোঝাবুঝির জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

14 + 15 =