শেয়ার বাজারে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি 2

শেয়ার বাজারে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি

দেশের শেয়ার বাজারে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি চলছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি পুনর্গঠন ও সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপেও আস্থা ফেরেনি বাজারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৮৪টি কোম্পানি আইপিও’র মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসলেও ২১টিই বি ও জেড ক্যাটাগরির নিুমানের শেয়ারে পরিণত হয়েছে।

শেয়ারবাজারে ২০১০ সালে দ্বিতীয়বার বড় ধরনের ধসের পর বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে নানা পদক্ষেপ নেয় সরকার। অনিয়ম ও আইনি দুর্বলতা দূর করতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বিএসইসি পুনর্গঠন করা হয়। কিন্তু তারপরও অবস্থার পরিবর্তন দেখেন না পুঁজিবাজার বিশ্লে¬ষকরা।

২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৮৪টি কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে এসেছে। এসব কোম্পানির মধ্যে ২১টিই বি ও জেড ক্যাটাগরিতে চলে গেছে। এসব কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের পরই উৎপাদনে অনিয়মিত এবং কোনটি বন্ধ হয়ে গেছে। অথচ এসব কোম্পানির অনেকগুলোর শেয়ারের দর বেড়েছে। আইপিওর মাধ্যমে আসা কোম্পানিরগুলোর মধ্যে ৯টির দর ফেস ভ্যালুর নিচে নেমে গেছে। এমন পরিস্থিতিকে অস্বাভাবিক বলে মনে করেন বিএসইসির সাবেক এই চেয়ারম্যান।

বিএসইসির বর্তমান চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে কারসাজি করে আইপিওতে নিুমানের কোম্পানির অনুমোদন দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে দুদক তদন্ত করছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fifteen − 6 =