ভারতীয় গরু

ভোলা ও পঞ্চগড়ে ভারতীয় গরু

ঈদের মাত্র কয়েকদিন আগে ভোলা ও পঞ্চগড়ে পশুর হাটগুলোতে দেখা মিলছে ভারতীয় গরু। ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতিও বাড়ছে হাটগুলোতে। ক্রেতাদের অভিযোগ, দাম গত বছরের তুলনায় অনেকটা বেশি। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, ভারতীয় গরু আমদানি থাকায় তারা দেশীয় গরুর সঠিক দাম পাচ্ছেন না।

ঈদের মাত্র আর কয়েকদিন বাকি। ভোলায় হাট গুলোতে উঠতে শুরু করেছে দেশি গরুর পাশাপাশি ভারতীয় গরুও। জেলার ৫৬টি স্থায়ী এবং ৩৭টি অস্থায়ী হাটগুলোতে গরুর ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম থাকলেও নেই তেমন কেনাবেচা।

ক্রেতারা বলছেন, এবার গত বছরের চেয়ে বেশি দাম হাঁকাচ্ছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে বিক্রেতাদের অভিযোগ, ভারতীয় গরু বাজারে আসায় দেশীয় গরুরদামে প্রভাব পড়ছে।

তবে ইজারাদাররা হাটে ভারতীয় গরু আসার কথা অস্বীকার করে বলছেন, বিক্রেতারা গরুর দাম ইচ্ছেমত নির্ধারন করায় বাজারে এর প্রভাব পড়ছে।

এদিকে জমে উঠতে শুরু করেছে পঞ্চগড়ের পশুর হাট। দেশি গরুর পাশাপাশি হাটগুলোতে উঠছে অসংখ্য ভারতীয় গরুও। ব্যবসায়ীরা বলছেন, জেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে আনা হচ্ছে এসব গরু। মাঝারি ধরনের একটি দেশি গরু বিক্রি হচ্ছে ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা দরে।

পঞ্চগড়ে চাহিদার চেয়ে ১০ থেকে ১২ হাজার বেশি কোরবানির পশু রয়েছে বলে জানায় জেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগ।

এবার একটু আগেভাগেই শুরু হয়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী পশুর হাট ফরিদপুর শহরের টেপাখোলা হাট। জেলার নিম্নাঞ্চলগুলো পদ্মার পানিতে ডুব থাকায় পশু খাদ্যে সংকটে কৃষকরা তাদের গবাদি পশু বিক্রি করে দিচ্ছেন হাটে। তবে এমন অবস্থায়ও বাজার চড়া বলে জানান ক্রেতারা।

নাটোরে স্থায়ী হাট ছাড়াও কোরবানী উপলেক্ষে অস্থায়ী হাট মিলিয়ে ছোট বড় ২০টি হাট বসেছে। হাটে জাল টাকা সনাক্তকরন মেশিন বসানোসহ ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা দিতে কাজ করছে প্রশাসন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 − 2 =