চিরিরবন্দরে রোপা আমনে কৃষকের মুখে হাসি 2

চিরিরবন্দরে রোপা আমনে কৃষকের মুখে হাসি

দিনাজপুর চিরিরবন্দরে হাইব্রিড ও আগাম জাতের রোপা আমন ধান ইতোমধ্যে পাকতে শুরু করেছে। আর ক’দিন পরেই ধান কাটতে শুরু করবে কৃষকেরা। অভাবের সময় ঘরে তোলা যায় এমন আগাম ও স্বল্পমেয়াদী ধানের জাতের চাষাবাদ চিরিরবন্দরে ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার উপজেলায় ২৪ হাজার ৬ শত ৩২ হেক্টর জমিতে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি ফলন হয়েছে। আর এই ফলনের যাতে অনাকাঙ্খিত পোকা ও কোন ধরনের রোগবলাই ক্ষতি করতে না পারে এজন্য নেয়া হয়েছে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে নানা ধরনের উদ্যোগ তবে এবারে পার্চিং পদ্ধতি ব্যাপক হারে ব্যবহারের ফলে রোপা আমন ধানের ভালো ফলন আশা করছে কৃষি বিভাগ।

তবে উপজেলায় সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বাংলা সনের কার্তিকের শুরুতেই চারিদিকে আগাম জাতের আমন ধান কাঁটা শুরু হয়েছে। তবে যে সকল মাঠ উচু এবং আগাম জাতের আলু রোপণ করার মতো জমি। সেই সকল জমিতে আগাম জাতের আমন ধান কাঁটতে ব্যস্ত সময় পার করছেন এলাকার কৃষকেরা। সেই সাথে গৃহিনীরাও বাড়ির আঙ্গিনা ও উঠান তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

সাতনালা গ্রামের আর্দশ কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, স্বল্প মেয়াদী ও আগাম জাতের ধানচাষে প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে যেমন তীব্র অভাবের সময় ঘরে ফসল উঠে, তেমনি কৃষি শ্রমিকদেরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। ধান কাটার পর ওই জমিতে আলুসহ পরবর্তীতে রবি শস্য আগাম চাষ করা যায়।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মাহমুদুল হাসান জানান, আগাম জাতের রোপা আমন ধানের চাষ খুবই ভাল হয়েছে। এ ধানের চাষাবাদ করে মঙ্গার সময়টিতে ধান ঘরে তুলে একই জমিতে রবি ফসলেরও চাষ করতে পারবে। এতে কৃষকরা ভালই লাভবান হবে এবং কার্তিকের মঙ্গা দূর হবে।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

17 − 10 =