চরফ্যাশনে তরমুজ চাষে কৃষকের মুখে হাসি 2

চরফ্যাশনে তরমুজ চাষে কৃষকের মুখে হাসি

আমির হোসেন, চরফ্যাশন :
চরফ্যাশন উপজেলায় তরমুজ ফসল আবাদে কৃষকের মুখে হাসি ফুটছে। এখন কৃষক রয়েছেন ন্যায্য মূল্যের অপেক্ষায়।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চরফ্যাশনে চলতি মৌসমে তরমুজ আবাদ হয়েছে ৬হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে। সবচেয়ে বেশী তরমুজ চাষাবাদ হয়েছে আহম্মদপুর, নজরুল নগর ও বিছিন্ন দ্বীপ মজিবনগরে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগন প্রতিনিয়ত কৃষকদেরকে পরামর্শক্রমে ও তদারকির মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের উৎসাহিত করেছেন। ফলে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে।

ফুটছে কৃষকের মুখে হাসি। কিন্তু তরমুজ চাষীরা রয়েছে ন্যয্যমূল্যের অপেক্ষায়।

কথা হয় তরমুজ চাষ এলাকা আহম্মদপুর, নজরুল নগর ও বিছিন্ন দ্বীপ নজরুল নগর কয়েজন কৃষকের সাথে।

তারা বলেন, তরমুজ ফসলের অবস্থা এবার ভাল। বাজারও মুটামুটি চলছে। আমরা আরো মূল্যের দাবী করছি। তাহলেই কৃষক এই সু-স্বাধু তরমুজ চাষে আগ্রহ প্রকাশ করবে।

সরকার তথা কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমরা সরাসরি রপ্তানির দাবী করছি। যদিও করোনা ভাইরাসের ফলে যাতায়াত সচারচার নয়। ফলে আমরা ভাল মূল্য পাওয়ার অপেক্ষায়।

উপজেলার দুলারহাট থানার আহম্মদপুর গ্রামের তরমুজ চাষী আলাউদ্দিন বলেন, আমি ৩ একর জমিতে তরমুজ চাষ করছি।

আমার জমিতে ফসল গত বছরের তুলনা অনেক ভাল হয়েছে। এখনও তরমুজ কাটা হয়নি। পূর্বের মত পাইকার দেখা যাচ্ছেনা। আমি সঠিক মূল্য পেতে চাই।

দুলারহাট থানার মজিবনগর ও আহম্মদপুর ইউনিয়নের দায়িত্বে নিয়োজিত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কামরুজ্জামান শিপন বলেন, মজিবনগরে ৫শ হেক্টর জমিকে তরমুজ চাষাবাদ হয়েছে।

এখানে ফসল খুবই ভাল। ছোট সাইজ ১শ টাকা ও মধ্যম সাইজ ২শ টাকা ও বড় সাইজ ৩শ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এই বছর তরমুজ খুবই সু-স্বাধু ও মিষ্টি।

চরফ্যাশন উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা ছানাউল্যাহ আজম বলেন, আমাদের কৃষি অফিসের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কৃষককে উৎসাহিত করায় আজ তরমুজের ভাল ফসল পেয়েছে কৃষক।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু হাছনাইন বলেন, গত বছরের তুলনা এবার কৃষকের তরজুম ভাল হয়েছে। সাইজও বড় হয়েছে।

কৃষি অফিসের পরামর্শক্রমে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে জমিতে ফলন ভালো হয়েছে। রপ্তানী ও সরাসরি বিক্রির ব্যবস্থা করতে পারলে কৃষক উপকৃত হবে।

চরফ্যাশনে ইয়াবাসহ একাধিক
মামলার আসামী জিকু আটক
চরফ্যাশন প্রতিনিধি
৪০ পিস ইয়াবাসহ একাধিক মামলার এক আসামীকে আটক করেছে চরফ্যাশন সদর থানা পুলিশ।
বৃহম্পতিবার ভোররাতে উপজেলার ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের আলীগাঁ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা থেকে মৃত আব্দুস সহীদ সর্দারের ছেলে মো. তাওহিদুল ইসলাম জিকু (৩০) কে আটক করা হয়।
আটককৃত আসামী জিকু অপহরণ মামলাসহ একাধিক মামলার আসামী বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে ভোলা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
চরফ্যাশন সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শামসুল আরেফিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) পনির খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের আলীগাঁও এলাকার তাওহীদুল ইসলাম জিকুকে ৪০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। তার নামে পুলিশ বাদি হয়ে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। মামলা নং ০৭।
ছবি এটার্চ
ক্যাপশনঃ চরফ্যাশন মাদক ব্যবসায়ী জিকু।
চরফ্যাশনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য ১৪ ব্যবসায়ীর আটক
চরফ্যাশন প্রতিনিধি
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে ভোলার চরফ্যাসনে প্রশাসনের আদেশ অমান্য করে দোকান খোলা রাখার অভিযোগে মোট ১৪ ব্যবসায়ীকে ৭২ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।
বৃহম্পতিবার সকালে চরফ্যাশন পৌর শহরে ও হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাজার অভিযান চালিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমীন, নির্বাহী ম্যাজিট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো. শাহীন মাহামুদ পৃথক পৃথক ভাবে সরকারি নির্দেশ অমান্য করার দায়ে এ জরিমানা করেন। উপজেলা সদরসহ, চেয়ারম্যান বাজার, কাশেমগঞ্জ বাজর, আমিনাবাদ বাজারে অভিযান চালানো হয়।
সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো. শাহীন মাহামুদ জানান, করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে ঔষধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দোকান ছাড়া অন্য সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সরকার।
কিন্তু কিছু সংখ্যক ব্যবসায়ী সরকারের আদেশ অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করে এসব ব্যবসায়ীর বিভিন্ন ধারায় জরিমানা করা হয়েছে।
দন্ডিত দোকান গুলোর মধ্যে রয়েছে, কালিবাড়ী রোডে রনজিতের মিষ্টির দোকান ৫ হাজার টাকা, জয় ডিজিটাল স্টুডিও ২ হাজার টাকা, ঢাকা হোটেল ৮ হাজার টাকা, ফ্যাসন কম্পিউটার ৫শ’ টাকা, আল মিজান ড্রেস হাউজ ৩ হাজার টাকা, আমিন গার্মেন্টস ৫ হাজার টাকা, দৌঁলতখান বস্ত্রালয়কে ৪ হাজার টাকা, চেয়ারম্যান বাজাররের ৬ ব্যবসায়ীর ২৫হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এই সময় চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শামসুল আরেফীনসহ পুলিশ ফোর্স ছিলেন।

চরফ্যাশনের দক্ষিণ আইচা থানার
সকল সড়ক বন্ধ ঘোষণা
চরফ্যাশন প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ মোকাবিলায় চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিন আইচা থানা এলাকার সকল সড়ক বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। সড়কগুলোতে বসানো হয়েছে নিরাপত্তা চৌকি।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় চরফ্যাশনের দক্ষিন আইচা থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব হারুন আর রসিদ উপজেলা প্রশাসনের বিবৃতি দেওয়ায় এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
দক্ষিণ আইচা থানার অফিসার ইনর্চাজ(ওসি) জনাব হারুন আর রসিদ জানান, চরফ্যাশন উপজেলা থেকে প্রতিদিন মানুষ দক্ষিণ আইচায় সরকারি নির্দেশ অমান্য করে অবাধে প্রবেশ করছেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে। তাই সড়কগুলো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং সড়কগুলোর প্রবেশ পথে চেকপোষ্ট বসিয়েছি। চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমীন বলেন, চরফ্যাশনে ৪টি থানা রয়েছে এই সকল থানা সদরে যদি চলাচল করবে পর্যায় ক্রমে সকল সড়ক বন্ধ করে দেয়া হবে। দক্ষিণ আইচা সড়কে বেশী চলাচল থেকে আগে সেটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
ছবি এটার্চ
ক্যাপশনঃ চরফ্যাশনের দক্ষিণ আইচা সড়ক এই ভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

চরফ্যাশন পৌরসভা কেন্দ্রিয়
ছাত্রলীগের খাদ্য সমাগ্রী বিতরণ
চরফ্যাশ প্রতিনিধি\
দেশে যখন মহামারী করোনাভাইরাসে লকডাউন করা হয়েছে। তখন ভোলার চরফ্যাশনেও লকডাউন করা হয়েছে। চরফ্যাশনের প্রায় ১০লক্ষাধিক লোক কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এই মুহুত্বে সরকারে সাথে সাথে ব্যক্তি উদ্যোগে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগ বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুবায়ের আহমেদ ভাইয়ের পক্ষ থেকে চরফ্যাশন পৌরসভা ৮নং ওয়ার্ডের কৃতিসন্তান বর্তমান ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের অন্তগত পল্টন থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের উপ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম সুমন নাড়ের টানে নিজ এলাকায় চরফ্যাশন পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড শতাধিক কর্মহীন দুস্থ্য মানুষের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।
মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম সুমন বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় চরফ্যাশন উপজেলা সিএনআই অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক কামরুল সিকদার, চরফ্যাশন সত্যের সন্ধান অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক মো.নাহিদুল ইসলাম নাঈম, আল-আমিন, মো.শাহিন আলম, মো.হাসান ও তুহিন ৮নং ওয়ার্ড পূর্বমাথায় অসহায় দুস্থ্য কর্মহীন শতাধিক মানুষের মাঝে এই নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীগুলো বিতরণ করা হয়েছে।
কর্মহীন দুস্থ্য অসহায় দরিদ্র পরিবারগুলো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী পেয়ে খুবই খুশি হয়েছেন। বৃদ্ধ মাইনুর বেগম বলেন,যাদের জন্য আমরা এই খাদ্য সামগ্রী পেয়েছি তাদের জন্য দোয়া করি।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

7 + 18 =