করোনা মোকাবেলায় নোবিপ্রবিয়ানের পাশে নোবিপ্রবিয়ান 2

করোনা মোকাবেলায় নোবিপ্রবিয়ানের পাশে নোবিপ্রবিয়ান

এস আহমেদ ফাহিম/নোবিপ্রবি :

বিশ্বব্যাপী মহামারি আকার ধারণ করা করোনাভাইরাসে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,এতে   বিপর্যস্ত দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। এতে  ভোগান্তিতে পড়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) এর শিক্ষার্থীরা।

এই অবস্থায় সমস্যায় পড়া এই শিক্ষার্থীদের  সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন তাদেরই দ্বিতীয় পরিবার নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়  পরিবার।পরিবারের কোনো সদস্য অসুস্থ হলে সেটি দেখে অপর সদস্যরা  যেমন এগিয়ে আসেন, এটি যেন ঠিক তেমনই দৃষ্টান্ত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে  ‘করোনা মোকাবেলায় নোবিপ্রবিয়ানের পাশে নোবিপ্রবিয়ান’ নামক ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মও তৈরি করা হয়েছে। যেখানে বিপাকে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য সাহায্য চেয়ে পোস্ট করা হয়।

এ উদ্যোগের বিষয়ে উদ্যোক্তারা জানান,আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পড়তে আসে যাদের  অনেকেই আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল এবং

তাদের একমাত্র অবলম্বন টিউশন।কিন্তু বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারণে টিউশনসহ বন্ধ আছে সবকিছু। দেশের নানা প্রান্ত থেকে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের একমাত্র উপার্জন ব্যবস্থাটাও আজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফলে  বাসা ভাড়া, খাদ্য সংকটসহ নানা সমস্যায় ভুগছেন তারা।তাই আমরা এই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছি যাতে  নোবিপ্রবি সকল শিক্ষার্থীরা  করোনার এই মহামারি অবস্থায়  একে অপরকে সহযোগিতা করতে পারে।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কনজুমার ইয়ুথ

বাংলাদেশ,নোবিপ্রবি শাখার সভাপতি মাইনুদ্দিন পাঠান  বলেন, ‘ করোনার এই মহামারি অবস্থায়  যারা  সমস্যায় আছেন, তারা পরিস্থিতির শিকার। তাই সবার উচিৎ সবার পাশে দাঁড়ানো।করোনা পরিস্থিতির স্বীকার নোবিপ্রবিয়ানদের ফান্ড ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য আমরা একটি ফেসবুক গ্রুপ খুলেছি যেসব নোবিপ্রবিয়ান সমস্যায় আছেন তারা সাহায্য চেয়ে পোস্ট দিতে পারবে এবং যারা এখানে সাহায্য চাইবে ডোনেশন মেনেজ করে তাদের  তা পৌছে দেওয়া হবে।আমরা সকলে এক হয়ে করোনা মোকাবিলা করব এবং  আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখব।’

করোনা এই পরিস্থিতিতে সমস্যায় পড়া নোবিপ্রবি  শিক্ষার্থীদের জন্য এমন উদ্যোগকে  শিক্ষার্থী,শিক্ষক সকলেই সাধুবাদ জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, ভোগান্তিতে পড়া নোবিপ্রবিয়ান আমাদেরই সহপাঠি,সিনিয়র কেউবা জুনিয়র।  তাদের এই বিপদে সাহায্য করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

3 + 4 =