আইসোলেশনে মারা যাওয়া যুবকের মরদেহ পুলিশের সহায়তায় গণকবরস্থানে দাফন 2

আইসোলেশনে মারা যাওয়া যুবকের মরদেহ পুলিশের সহায়তায় গণকবরস্থানে দাফন

জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও হাঁচি-কাশি নিয়ে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে মারা যাওয়া যুবকের মরদেহ পুলিশের সহায়তায় নড়িয়া উপজেলার চন্ডিপুর সরকারি গণকবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

এ সময় বাঁশ কাটা, কবর খোঁড়া, কবরে নামানোসহ সব কাজই করেছে নড়িয়া থানা পুলিশ।

জানাজা পড়ান নড়িয়া থানা মসজিদের ইমাম। এ কাজের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনেকেই পুলিশের প্রশংসা করছেন।

নড়িয়া থানা পুলিশ ও শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত ৯টার দিকে সদর হাসপাতালে আইসোলেশনে থাকা ৩৪ বছর বয়সী ওই যুবকের মৃত্যু হয়।

বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নীতিমালা অনুযায়ী স্থানীয় চার সদস্যের বিশেষ কমিটির সদস্যরা ওই যুবকের মরদেহ দাফনের জন্য নিয়ে যান নড়িয়া উপজেলার মুলফৎগঞ্জ মাদরাসা কবরস্থানে।

কবরস্থান কর্তৃপক্ষ সেখানে কবর না দেয়ার অনুরোধ করেন। এরপর নড়িয়া থানা পুলিশ ওই যুবকের বাবার পৈত্রিক এলাকা চন্ডিপুর সরকারি গণকবরস্থানে তাকে দাফন করে। এলাকার কোনো লোকজন এগিয়ে না আসায় মরদেহের দাফন সম্পন্ন করতে বাঁশ কাটা থেকে শুরু করে সকল কাজই করেন পুলিশ সদস্যরা।

জানাজায় নড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান, এসআই ইমরান, এসআই মামুন, এসআই নাজমুল, এসআই হাফিজসহ ১৫ জন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও ওই যুবকের দুই মামা, এলাকার এক যুবক ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চার সদস্যের টিম পুলিশকে সহযোগিতা ও জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। তবে ওই যুবক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল কি-না তা পরীক্ষা করার জন্য নমুনা আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2 + seventeen =